The post তুমি সৌভাগ্যের রাণী (হার্ডকভার) appeared first on BookPoint BD.
]]>The post তুমি সৌভাগ্যের রাণী (হার্ডকভার) appeared first on BookPoint BD.
]]>The post হতাশ হবেন না appeared first on BookPoint BD.
]]>The post হতাশ হবেন না appeared first on BookPoint BD.
]]>The post লা-তাহ্যান : হতাশ হবেন না appeared first on BookPoint BD.
]]>যিনি দুঃখ বেদনার মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করছেন বা যিনি সংকাটাপন্ন, যার ফলে দুঃখিত ও বিষণ্ণ এবং এমন অবস্থানের কারণে বিনিদ্র রজনী যাপন করছেন এই বইটি তাঁর জন্য। রোগাক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য কুরআন, সুন্নাহ, মর্মভেদী বাস্তব ঘটনা, কাব্য, শিক্ষাপ্রদ-কল্পকাহিনী ও সত্যগল্প ইত্যাদি থেকে ওষুধের মাত্রা সংগ্রহ করে এই বইয়ের পাতাগুলো অলংকৃত করেছি। এই পুস্তক এমনসব ভুলসমূহ নির্ণয় করে যেগুলো সঠিক নির্দেশনা অনুসরণ না করাতে আমরা ভুলে যেতে বাধ্য হয়ে চিন্তা ভাবনা ও কাজ কর্মে করে ফেলি। এটা আপনাকে বলে আপনার প্রতিভাবে আপনার বিশ্বাস করা উচিত। আপনার প্রতিভাবে উন্নত করা আপনার কর্তব্য; আপনার উচিত একটি ইতিবাচক মনোভাবের দিকে মনোনিবেশ করে জীবনের সমস্যা ও উন্থান পতনের কথা ভুলে থাকা। কেননা, ইতিবাচক মনোভাব আশাপ্রদ ও সৌভাগ্যের দিকে নিয়ে যায়। লা তাহযান বা হতাশ হবেন না, ড. আইদ আল কারণী রচিত একটি কালজয়ী গ্রন্থ যা অসংখ্য মানুষকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, আশায় বুক বাঁধতে শিখিয়েছে।
The post লা-তাহ্যান : হতাশ হবেন না appeared first on BookPoint BD.
]]>The post ড. আয়েয আল করনী এর নতুন দুটি বই appeared first on BookPoint BD.
]]>জীবনে সুখী হতে চাইলে, সফলতা পেতে চাইলে বইদুটো আপনার জন্য।
“এসো সুখের ছায়ায়” বইটি সম্পর্কে ড.আয়েয আল করনী তাঁর ভূমিকায় লিখেছেন,বক্ষমাণ (এসো সুখের ছায়ায়) গ্রন্থটি আমার জীবনের ৫০ বছরের অধ্যয়ন, সফর, উলামায়ে কেরাম, কবি-সাহিত্যিক, পণ্ডিত ও জ্ঞানী-গুণীদের সাথে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতার আলোকে লিখিত। বলা যায়, গ্রন্থটি যাপিত জীবনের জীবন্ত সারাংশ। আশা করা যায়, এগুলো সম্পর্কে অবগতি লাভ করলে যে কোনো বয়সের লোকই সৌভাগ্য অর্জনে সক্ষম হবে।
আমার কালজয়ী গ্রন্থ ”লা-তাহযান” এর ২০ বছর পরে আমি এই গ্রন্থটি রচনা করেছি; তবে এতে আমি ঐ গ্রন্থের কোনো বিষয় পুনরাবৃত্তি করিনি। এক্ষেত্রে আমি সরাসরি জীবনমুখী হয়েছি। অর্থাৎ বাস্তবতার ময়দানে আমি যেসব ঘটনার মুখোমুখী হয়েছি অথবা নির্ভরযোগ্য সূত্রে শুনেছি তার সংক্ষিপ্ত পাঠ ও শিক্ষা এখানে তুলে ধরছি। পাঠক! যাতে আমি তোমাকে নিয়ে সৌভাগ্যময় ও সুখের জীবন, ধীর-স্থিরতা, শান্তি-নিরাপত্তা, সন্তুষ্টি ও অল্পেতুষ্টির সুমহান লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে পারি।
হয়তো এভাবে তুমি আপন জীবন অতিবাহিত করতে পারবে সহজ-সরল, সাবলীল, উদার দৃষ্টিভঙ্গী, প্রশান্তি ও সমৃদ্ধির সুখময় ভুবনে। এটাই তো মহান্বিত ধর্ম ইসলামের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্বব্যাপী জ্ঞানী-গুণীদের সাধনার ধন। আর সবাই এ সৌভাগ্যই কামনা করে।
এজন্যই আমি দিক-দিগন্ত হতে আহরিত ঘটনাসমূহ গ্রহণ করেছি। তবে এর সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রতি মনোনিবেশ করিনি। কারণ, আমার গ্রন্থে আমি এমন কোনো তথ্য ও ঘটনা উল্লেখ করতে চাইনি, যা অন্য গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলার চিরস্থায়ী বরকতের উপরই আমার একমাত্র ভরসা। তাঁর অনুগ্রহ-ই আমার একমাত্র চাওয়া। আশা করি আমাকে এবং (প্রিয় পাঠক) তোমাকে এমন সৌভাগ্য ও সুখের উপহার দেবেন, যার পরে আর কখনই দুর্ভাগ্যের শিকার হতে হবে না। আমার এবং তোমার প্রতি এমন সন্তোষ প্রকাশ করবেন, যার পরে আর কোনোদিন রাগান্বিত হবেন না।
প্রিয় পাঠক! সবার প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইলো।
এসো সফলতার পথে বইটি কেন পড়বেন?
সফলতা পেতে কে না চায়? সফলতা সবার কাছেই কাঙ্খিত একটি শব্দ। কিন্তু সফলতা মানে কী এতে মানুষ প্রায়ই ভুল করে থাকে। কেউ ধন-সম্পদকে সফলতার মানদণ্ড মনে করে। কেউ সম্মান-র্মযাদাকে সফলতার মাপকাঠি মনে করে। কেউ পদ-পদবীকে সফলতার চাবিকাঠি মনে করে। আবার কেউ সার্টিফিকেট ও উঁচু উঁচু ডিগ্রীকে সফলতার মূলমন্ত্র মনে করে। এ বিষয়ে প্রত্যেকে স্বীয় ধ্যাণ-ধারণার অবাধ ব্যবহার করে থাকে। এতেই সে আনন্দ পায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষের চিরচারিত স্বভাবের র্বণনা দিয়ে বলেন, كل حزب بما لديهم فرحون
“প্রত্যেকটি দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়েই উৎফুল্ল।”
বাস্তবে মানুষের সুখ-শান্তি-সফলতা কীসে রয়েছে, কোন্ পথে চললে দুনিয়া ও পরকালে সে সফল হবে; সুখী হবে সে সম্পর্কে অনেকেরই সঠিক ধারণা নেই। অনেকেই সফলতা বলতে দুনিয়ার কিছু সাময়িক উপভোগ্য বস্তুকে বুঝিয়ে থাকে ।
মূলত এগুলো সফলতার বিষয় নয়; এসব মরিচীকা বৈ কিছুই নয়।
যে মরিচীকার পেছনে দৌড়ে মানুষ নিজের মূল্যবান জীবন-যৌবনকে ধ্বংস করছে অবলীলায়!
মনে রাখতে হবে, মানুষের দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়; মানুষের রয়েছে এক অন্তহীন পরকালীন জীবন; যে জীবনের শুরু আছে, শেষ নেই। তাই যে ব্যক্তি ক্ষণিকের দুনিয়ার সফলতার পেছনে দৌঁড়ায়, সে আসলে বোকা! আর যে অন্তহীন পরকালের সফলতার পথে ছুটে চলে, সে দুনিয়ার সফলতাও পেয়ে যায়।
তাহলে সে পথ কোন্ টি, যে পথ মানুষকে উভয় জগতে সুখী ও সফল করে ? যে পথে চললে মানুষ দুনিয়াতে পাবে সুখ আর পরকালে পাবে শান্তি?
তবে শুনুন….
সে পথ ঈমানের পথ; সে পথ তাকদীর ও পরকালের বিশ্বাসের পথ; সে পথ ইবাদত-বন্দেগীর পথ; সে পথ শোকর ও সবরের পথ; সে পথ তাওবা ও এস্তেগফারের পথ।
যে পথে নেই পাপ-পঙ্কিলতা; নেই হতাশা-নিরাশা ও অলসতা; নেই দুশ্চন্তিা ও বিষণ্নতা ; নেই হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতা।
সফলতা লাভে এসব বিষয় এ বইয়ে অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলীলভাবে আলোচিত হয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে একটি জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ রয়েছে, যা পড়ে আপনার সে বিষয়ে সঠিক ও মৌলিক ধারণা লাভ হবে।
প্রতিটি বিষয়ে রয়েছে কিছু উপদেশ-বাণী ও নীতিকথা, যেগুলো সফলতার পথ দেখায়। প্রতিটি বাণী হৃদয়ে জাগরণ সৃষ্টি করে। প্রতিটি বাণী র্স্বণাক্ষরে লিখে রাখার মতো; প্রতিটি বাণী স্মৃতির পাতায় অঙ্কিত করে রাখার মতো।
The post ড. আয়েয আল করনী এর নতুন দুটি বই appeared first on BookPoint BD.
]]>The post এসো সুখের ছায়ায় appeared first on BookPoint BD.
]]>সুখ আমরা কে না চাই? সবাই চাই।
তবে কেন পাচ্ছি না সুখের নাগাল?
“এসো সুখের ছায়ায়” বইটি সম্পর্কে ড.আয়েয আল করনী তাঁর ভূমিকায় লিখেছেন,বক্ষমাণ (এসো সুখের ছায়ায়) গ্রন্থটি আমার জীবনের ৫০ বছরের অধ্যয়ন, সফর, উলামায়ে কেরাম, কবি-সাহিত্যিক, পণ্ডিত ও জ্ঞানী-গুণীদের সাথে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতার আলোকে লিখিত। বলা যায়, গ্রন্থটি যাপিত জীবনের জীবন্ত সারাংশ। আশা করা যায়, এগুলো সম্পর্কে অবগতি লাভ করলে যে কোনো বয়সের লোকই সৌভাগ্য অর্জনে সক্ষম হবে।
আমার কালজয়ী গ্রন্থ ”লা-তাহযান” এর ২০ বছর পরে আমি এই গ্রন্থটি রচনা করেছি; তবে এতে আমি ঐ গ্রন্থের কোনো বিষয় পুনরাবৃত্তি করিনি। এক্ষেত্রে আমি সরাসরি জীবনমুখী হয়েছি। অর্থাৎ বাস্তবতার ময়দানে আমি যেসব ঘটনার মুখোমুখী হয়েছি অথবা নির্ভরযোগ্য সূত্রে শুনেছি তার সংক্ষিপ্ত পাঠ ও শিক্ষা এখানে তুলে ধরছি। পাঠক! যাতে আমি তোমাকে নিয়ে সৌভাগ্যময় ও সুখের জীবন, ধীর-স্থিরতা, শান্তি-নিরাপত্তা, সন্তুষ্টি ও অল্পেতুষ্টির সুমহান লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে পারি।
হয়তো এভাবে তুমি আপন জীবন অতিবাহিত করতে পারবে সহজ-সরল, সাবলীল, উদার দৃষ্টিভঙ্গী, প্রশান্তি ও সমৃদ্ধির সুখময় ভুবনে। এটাই তো মহান্বিত ধর্ম ইসলামের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্বব্যাপী জ্ঞানী-গুণীদের সাধনার ধন। আর সবাই এ সৌভাগ্যই কামনা করে।
এজন্যই আমি দিক-দিগন্ত হতে আহরিত ঘটনাসমূহ গ্রহণ করেছি। তবে এর সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রতি মনোনিবেশ করিনি। কারণ, আমার গ্রন্থে আমি এমন কোনো তথ্য ও ঘটনা উল্লেখ করতে চাইনি, যা অন্য গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলার চিরস্থায়ী বরকতের উপরই আমার একমাত্র ভরসা। তাঁর অনুগ্রহ-ই আমার একমাত্র চাওয়া। আশা করি আমাকে এবং (প্রিয় পাঠক) তোমাকে এমন সৌভাগ্য ও সুখের উপহার দেবেন, যার পরে আর কখনই দুর্ভাগ্যের শিকার হতে হবে না। আমার এবং তোমার প্রতি এমন সন্তোষ প্রকাশ করবেন, যার পরে আর কোনোদিন রাগান্বিত হবেন না।
প্রিয় পাঠক! সবার প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইলো।
The post এসো সুখের ছায়ায় appeared first on BookPoint BD.
]]>The post এসো সফলতার পথে appeared first on BookPoint BD.
]]>সফলতা পেতে কে না চায়? সফলতা সবার কাছেই কাঙ্খিত একটি শব্দ। কিন্তু সফলতা মানে কী এতে মানুষ প্রায়ই ভুল করে থাকে। কেউ ধন-সম্পদকে সফলতার মানদণ্ড মনে করে। কেউ সম্মান-র্মযাদাকে সফলতার মাপকাঠি মনে করে। কেউ পদ-পদবীকে সফলতার চাবিকাঠি মনে করে। আবার কেউ সার্টিফিকেট ও উঁচু উঁচু ডিগ্রীকে সফলতার মূলমন্ত্র মনে করে। এ বিষয়ে প্রত্যেকে স্বীয় ধ্যাণ-ধারণার অবাধ ব্যবহার করে থাকে। এতেই সে আনন্দ পায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষের চিরচারিত স্বভাবের র্বণনা দিয়ে বলেন, كل حزب بما لديهم فرحون
“প্রত্যেকটি দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়েই উৎফুল্ল।”
বাস্তবে মানুষের সুখ-শান্তি-সফলতা কীসে রয়েছে, কোন্ পথে চললে দুনিয়া ও পরকালে সে সফল হবে; সুখী হবে সে সম্পর্কে অনেকেরই সঠিক ধারণা নেই। অনেকেই সফলতা বলতে দুনিয়ার কিছু সাময়িক উপভোগ্য বস্তুকে বুঝিয়ে থাকে ।
মূলত এগুলো সফলতার বিষয় নয়; এসব মরিচীকা বৈ কিছুই নয়।
যে মরিচীকার পেছনে দৌড়ে মানুষ নিজের মূল্যবান জীবন-যৌবনকে ধ্বংস করছে অবলীলায়!
মনে রাখতে হবে, মানুষের দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়; মানুষের রয়েছে এক অন্তহীন পরকালীন জীবন; যে জীবনের শুরু আছে, শেষ নেই। তাই যে ব্যক্তি ক্ষণিকের দুনিয়ার সফলতার পেছনে দৌঁড়ায়, সে আসলে বোকা! আর যে অন্তহীন পরকালের সফলতার পথে ছুটে চলে, সে দুনিয়ার সফলতাও পেয়ে যায়।
তাহলে সে পথ কোন্ টি, যে পথ মানুষকে উভয় জগতে সুখী ও সফল করে ? যে পথে চললে মানুষ দুনিয়াতে পাবে সুখ আর পরকালে পাবে শান্তি?
তবে শুনুন….
সে পথ ঈমানের পথ; সে পথ তাকদীর ও পরকালের বিশ্বাসের পথ; সে পথ ইবাদত-বন্দেগীর পথ; সে পথ শোকর ও সবরের পথ; সে পথ তাওবা ও এস্তেগফারের পথ।
যে পথে নেই পাপ-পঙ্কিলতা; নেই হতাশা-নিরাশা ও অলসতা; নেই দুশ্চন্তিা ও বিষণ্নতা ; নেই হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতা।
সফলতা লাভে এসব বিষয় এ বইয়ে অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলীলভাবে আলোচিত হয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে একটি জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ রয়েছে, যা পড়ে আপনার সে বিষয়ে সঠিক ও মৌলিক ধারণা লাভ হবে।
প্রতিটি বিষয়ে রয়েছে কিছু উপদেশ-বাণী ও নীতিকথা, যেগুলো সফলতার পথ দেখায়। প্রতিটি বাণী হৃদয়ে জাগরণ সৃষ্টি করে। প্রতিটি বাণী র্স্বণাক্ষরে লিখে রাখার মতো; প্রতিটি বাণী স্মৃতির পাতায় অঙ্কিত করে রাখার মতো।
The post এসো সফলতার পথে appeared first on BookPoint BD.
]]>The post হতাশ হয়ো না appeared first on BookPoint BD.
]]>The post হতাশ হয়ো না appeared first on BookPoint BD.
]]>